গবেষনা বলছে শীঘ্রই প্রচলিত এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়বে গবেষনা বলছে শীঘ্রই প্রচলিত এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়বে – nursebd
  1. hedaiet99@gmail.com : nursebd : Hedaiet Ullah Biplob
  2. mdtanmoy2020@gmail.com : Tanmoy : Tanmoy
  3. syedahmedtanshiruddin@gmail.com : Syed Ahmed Tanshir Uddin : Syed Ahmed Tanshir Uddin
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

গবেষনা বলছে শীঘ্রই প্রচলিত এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়বে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

গবেষনা বলছে শীঘ্রই প্রচলিত এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়বে :

দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ ক্ষমতা (এএমআর) বিপজ্জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, দেশের আইসিইউতে ভর্তি রোগীর ৪১ শতাংশ কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সাড়া দিচ্ছে না। ২৪ নভেম্বর ২০২৫ আইইডিসিআর ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট ২০২৫’ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত দেশের ৯৬,৪৭৭ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হলে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৭ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৪১ শতাংশ পাওয়া গেছে। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৮৯ শতাংশ দেখা গেছে। এছাড়া, হু ওয়াচ-গ্রুপ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে ৯০.৯ শতাংশ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) এবং মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।
২০২৩ সালের পর থেকে গাজায় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার দশগুণ বেড়েছে; এবং মৃত্যুর প্রায় ৫৫ শতাংশই নবজাতক। জীবাণুনাশক যন্ত্রপাতি, অ্যান্টিবায়োটিক, এমনকি ক্লোরিন পর্যন্ত গাজায় প্রবেশে বাধা দেওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে—এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অত্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু ও তথাকথিত সুপারবাগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ব্যাপক। ২০২৩ সালের এক জরিপে বলা হয়, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ছয়টির মধ্যে একটি সংক্রামক রোগ অ্যান্টিবায়োটিকে সারানো যাচ্ছে না। রক্ত, অন্ত্র, মূত্রনালি এবং যৌন সংক্রমণের মতো সাধারণ সংক্রামক রোগে ৪০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ হলো, গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে বেশির ভাগ অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা দেখাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০৫০ সাল নাগাদ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ৭০ শতাংশে পৌঁছাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বছরে দুই লক্ষাধিক, যার মধ্যে ২৩ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। বিশ্বজুড়ে সাত লক্ষাধিক লোক মৃত্যুবরণ করে একই কারণে।বিশেষজ্ঞদের হিসাবে এখনই সাবধান না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে প্রতি বছর এক কোটির বেশি লোক মারা যাবে এবং ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
কপিরাইট © ২০১৮-২০২৬. nursebd.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized By BreakingNews